আমরা বিশ্বাস করি প্রতিটি খেলোয়াড় সুষ্ঠু, নিরাপদ ও আনন্দময় অভিজ্ঞতার অধিকারী। সেই বিশ্বাস থেকেই 17viptaka-র যাত্রা শুরু।
17viptaka শুধু একটা ওয়েবসাইট নয় — এটা বাংলাদেশের লাখো গেমিং উৎসাহীর জন্য একটা পরিচিত ঘর। ২০১৯ সালে যখন প্ল্যাটফর্মটার যাত্রা শুরু হয়েছিল, তখন লক্ষ্য ছিল একটাই: বাংলাদেশের মানুষদের জন্য একটা স্থানীয়ভাবে বোধগম্য, ব্যবহারযোগ্য ও নিরাপদ অনলাইন গেমিং জায়গা তৈরি করা।
শুরুতে টিম ছিল ছোট, কিন্তু উদ্দেশ্য ছিল বড়। বাংলাদেশের ইন্টারনেট পরিবেশ, মোবাইল ব্যাংকিংয়ের পরিচিতি, এবং বাংলাভাষী ব্যবহারকারীদের পছন্দ — সব কিছু মাথায় রেখে প্ল্যাটফর্মটা ডিজাইন করা হয়েছে। বিকাশে পেমেন্ট করুন, বাংলায় ইন্টারফেস পড়ুন, বাংলা সাপোর্টে সাহায্য নিন — এই সুবিধাগুলো শুরু থেকেই ছিল।
আজ 17viptaka বাংলাদেশের অন্যতম পরিচিত অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্ম। ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম, সিলেট থেকে রাজশাহী — দেশের প্রতিটি কোণ থেকে মানুষ 17viptaka ব্যবহার করেন। কেউ ক্রিকেট বেটিং করেন, কেউ স্লট খেলেন, কেউ লাইভ ক্যাসিনোতে সময় কাটান। তবে সবার জন্য একটাই কথা — 17viptaka তাদের প্রতি সৎ ও স্বচ্ছ।
"আমাদের লক্ষ্য কখনো ছিল না সবচেয়ে বড় হওয়া। আমরা চেয়েছিলাম সবচেয়ে বিশ্বস্ত হতে।"
— 17viptaka প্রতিষ্ঠাতা দলের একটি নীতিবাক্যপ্রতিটি সিদ্ধান্তে ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতাকে প্রাধান্য দেওয়া হয়। নতুন ফিচার আনার আগে হাজার হাজার ব্যবহারকারীর মতামত নেওয়া হয়। সাপোর্ট টিম প্রশিক্ষণ পায় বাংলা ভাষায় যোগাযোগ করতে, কারণ ভাষার বাধা যেন কখনো সমস্যা না হয়।
17viptaka দায়িত্বশীল গেমিংয়ে বিশ্বাস করে। আমরা চাই খেলোয়াড়রা আনন্দের জন্য খেলুক, চাপের জন্য নয়। সেজন্য ডিপোজিট লিমিট, সেলফ-এক্সক্লুশন ও কুলিং-অফ পিরিয়ডের মতো টুল সবার জন্য খোলা রাখা হয়েছে।
ক্রিকেট বেটিং ও ৫টি স্লট গেম নিয়ে বিটা লঞ্চ। প্রথম মাসেই ৫,০০০ সদস্য।
মোবাইল ব্যাংকিং পেমেন্ট চালু করে ব্যবহারকারীর সংখ্যা তিনগুণ বাড়ে।
Evolution Gaming-এর সাথে চুক্তিতে লাইভ বাকারাত, রুলেট ও ব্ল্যাকজ্যাক যোগ।
Android ও iOS অ্যাপ প্রকাশ। প্রথম সপ্তাহে ৫০,০০০+ ডাউনলোড।
লয়্যালটি পয়েন্ট, ক্যাশব্যাক ও ৭ স্তরের VIP প্রোগ্রাম চালু।
বাংলাদেশের সব জেলায় সক্রিয় ব্যবহারকারী। প্রতিদিন ৪৫ লাখ+ গেম রাউন্ড।
17viptaka-তে যে ছয়টি বিষয় সবচেয়ে গুরুত্বের সাথে দেখা হয়
নেভিগেশন, গেম বিবরণ, সাপোর্ট — সব কিছু বাংলায়। ইংরেজি না জানলেও 17viptaka ব্যবহারে কোনো বাধা নেই। আমাদের সাপোর্ট টিম বাংলায় কথা বলে।
২৫৬-bit SSL এনক্রিপশন, তৃতীয় পক্ষের নিরিক্ষিত RNG ও আন্তর্জাতিক লাইসেন্স — আপনার তথ্য ও টাকা সুরক্ষায় কোনো আপোস নেই।
বিকাশ, নগদ, রকেট ও ব্যাংক ট্রান্সফার — পরিচিত মাধ্যমে ডিপোজিট ও উইথড্রয়াল। কোনো বিদেশি কার্ড বা ওয়ালেট লাগে না।
২,০০০+ স্লট, লাইভ ক্যাসিনো, ক্রিকেট-ফুটবল বেটিং, ক্র্যাশ গেম — একটা অ্যাকাউন্টেই সব। নতুন গেম প্রতি সপ্তাহে যোগ হয়।
রাত ৩টাতেও সমস্যা হলে আমাদের লাইভ চ্যাট টিম থাকে। গড় রেসপন্স সময় ৪২ সেকেন্ড — বাংলায় কথা বলার সুবিধা সহ।
ডিপোজিট লিমিট, সেলফ-এক্সক্লুশন ও কুলিং-অফ পিরিয়ড — সব খেলোয়াড়ের জন্য বিনামূল্যে। আনন্দের সীমাটা নিজেই ঠিক করুন।
প্রতিটি সিদ্ধান্তে, প্রতিটি ফিচারে — এই নীতিগুলো আমাদের পথ দেখায়।
বোনাসের শর্ত, অডস হিসাব, পেমেন্ট নিয়ম — সব কিছু খোলামেলা বলা হয়। লুকানো কিছু নেই।
প্রতিটি গেমের ফলাফল তৃতীয় পক্ষের অডিট করা RNG দিয়ে নির্ধারিত। কোনো কারসাজি নেই।
শুধু ব্যবহারকারী নয়, আমাদের খেলোয়াড়রা আমাদের পরিবার। তাদের মতামতেই আমরা বড় হই।
থেমে থাকা আমাদের স্বভাব নয়। প্রতিটি অভিযোগ, প্রতিটি পরামর্শকে সুযোগ হিসেবে দেখি।
বিভিন্ন বিভাগের অভিজ্ঞ পেশাদারদের নিয়ে গঠিত আমাদের মূল টিম।
৩৫+ প্রকৌশলী
২৪/৭ সক্রিয়
সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ
ডেটা-চালিত সিদ্ধান্ত
বাংলাদেশের অনলাইন গেমিং বাজার বিগত কয়েক বছরে অনেক বেড়েছে। স্মার্টফোনের বিস্তার, মোবাইল ইন্টারনেটের সহজলভ্যতা এবং মোবাইল ব্যাংকিংয়ের পরিচিতি — এই তিনটি কারণে লাখো মানুষ এখন অনলাইনে গেম খেলছেন। কিন্তু বেশিরভাগ আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশের বাস্তবতা বোঝে না। ইংরেজি ইন্টারফেস, বিদেশি পেমেন্ট পদ্ধতি, আর সাপোর্টে ইংরেজিতে কথা বলতে হয় — এগুলো সাধারণ বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের জন্য বাধা।
17viptaka এই ফাঁকটা পূরণ করতেই তৈরি। আমরা বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের অভ্যাস বুঝি। তারা বিকাশে অভ্যস্ত, ইংরেজিতে নয়। তারা ক্রিকেট পছন্দ করেন আর রাতে ফোনে খেলেন। তাই আমাদের অ্যাপ ছোট ফাইলের, কম ডেটা খরচে চলে, আর রাত ৩টাতেও সাপোর্ট পাওয়া যায় বাংলায়।
আমাদের কাছে সংখ্যার চেয়ে বিশ্বাস বড়। পাঁচ লাখ সদস্যের চেয়ে আমরা বেশি গর্বিত যে প্রতিটি উইথড্রয়াল সঠিক সময়ে হয়, প্রতিটি জেতা টাকা খেলোয়াড়ের কাছে পৌঁছায়। 17viptaka কখনো অজুহাত দিয়ে টাকা আটকে রাখেনি — এই ট্র্যাক রেকর্ডটাই আমাদের সবচেয়ে বড় সম্পদ।
সামাজিক দায়িত্বের বিষয়েও আমরা সচেতন। গেমিং যদি কারো জীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে, সেটা আমাদেরও ব্যর্থতা। তাই 17viptaka-তে দায়িত্বশীল গেমিং শুধু একটা পাতা নয় — এটা আমাদের কালচারের অংশ। সাপোর্ট এজেন্টরা প্রশিক্ষিত যাতে কেউ সমস্যায় পড়লে সঠিক টুল দেখিয়ে দেন।
আগামীতে 17viptaka আরও বড় হবে — নতুন গেম, নতুন ফিচার, নতুন পুরস্কার। কিন্তু মূলনীতি একটাই থাকবে: বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের প্রতি সততা ও সম্মান।
অ্যাকাউন্ট ও বেটিং সংক্রান্ত সাধারণ জিজ্ঞাসা
পাঁচ লাখেরও বেশি খেলোয়াড় ইতিমধ্যে আমাদের সাথে আছেন। আপনার পালা।